বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

১৫

পানি কমছে, পদ্মার পাড়ে ভাঙনের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

পাবনায় পদ্মা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার তিন সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টায় পানি প্রবাহ কমেছে পাঁচ সেন্টিমিটার।

হঠাৎ পানি বাড়ায় ছয়টি উপজেলায় কৃষিজমি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের মানুষ। ঈশ্বরদীর পাকশী, রূপপুর, লক্ষীকুণ্ডা, সারাবাড়ি, পাবনা সদরের দোগাছি ইউপিতে তলিয়ে গেছে অনেক বসতবাড়ি। আবার পানি কমতে শুরু করায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে পদ্মার তীরবর্তী ১০টি ইউপি। ভাঙন রোধে জেলা পাউবো’র পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ও বালির বস্তা ফেলা হয়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর পানি বাড়ায় এক হাজার ৭৩০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে শীতের আগাম সবজি ও উঠতি ব্রি ধানের।

পানি কমতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পাবনা সদরের ভাড়ারা, হেমায়েতপুর, দোগাছি, সুজানগরের ভায়না, সাতবাড়িয়া, নাজিরগঞ্জ, মানিকহাট, সাগরকান্দি ইউপির নিম্নাঞ্চলে।

পাবনা পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম জানান, দুইদিন ধরে পদ্মার পানি বিপদসীমার আট সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো। শনিবার পানি কমতে শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি বিপদসীমার নিচে নেমে আসবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরো জানান, ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। শহর রক্ষা বাঁধ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে।

পাবনার ডিসি কবির মাহমুদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। ত্রাণ হিসেবে ২০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ এলেই নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দী মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

রাজবাড়ী প্রতিদিন
রাজবাড়ী প্রতিদিন
এই বিভাগের আরো খবর